সময়ের সাথে সাথে বদলে যাচ্ছ তুমিও এমনি করে প্রতেিটি মানুষ বদলে যায় বদলাতেই হবে তবে সঠিক পথে।
Posts
কী কী কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়
- Get link
- X
- Other Apps
সাধারণ মুসলমানরা অনেক কিছুকেই রোজা ভাঙ্গার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। কিন্তু ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, রোজা ভাঙ্গার মূল কারণ আসলে পাঁচটি। সেগুলো হলো— ইচ্ছাকৃতভাবে খাবার খেলে ইচ্ছাকৃতভাবে পান করলে শরীর থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়লে মুখ ভর্তি বমি হলে রোজা রাখা অবস্থায় সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম বিবিসি বাংলাকে বলেন, “রক্তপাত বা বমি হলে রোজাদার ব্যক্তি অসুস্থ বোধ করতে পারেন। সেজন্যই ধর্মে এসব ক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।” রোজার ইফতার
ইসলাম কেন শান্তির ধর্ম?
- Get link
- X
- Other Apps
“ইসলাম শান্তির ধর্ম” : কেন ও কীভাবে ? ইসলাম শান্তির ধর্ম ’ কথাটি মুসলিম মাত্রেরই মনের কথা এবং অতি সত্য ও বাস্তব কথা। এটি প্রতিটি মানুষের সঠিকভাবে উপলব্ধি করা প্রয়োজন। ইসলামেই শান্তি ✅ ইসলামকে শান্তির ধর্ম এই কারনেই বলা হয় কারন আল্লাহ তাআ'ল কোরাআনে সূরা বাকারার ২৫৬ নং আয়াতে বলেন لا اكراه في الدين অর্থাৎ দ্বিন এর ব্যপারে কারর উপর জবর্দস্তি নাই। ইসলাম কখনো কারর সাধ্যের বাইরে কোন কিছু চাপিয়ে দেয় নি। (সূরা বাকারা ২৮৬.) ✅ ইসলামী দাওয়াতের শিরোনাম-বাক্য যদি হয় ‘ আস্লিম তাস্লাম ’ ‘ ইসলাম কবুল কর নাজাত পাবে। ’ তাহলে এই নাজাত প্রধানত আখিরাতের নাজাত। ইসলামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আবির্ভাবের অন্যতম উদ্দেশ্য যদি হয় - ‘ ইন্নী নাযীরুল লাকুম বাইনা ইয়াদাই আযাবিন শাদীদ ’ ( আমি এক কঠিন আযাবের পূর্বে তোমাদের হুঁশিয়ারকারী।) তাহলে এই আযাব প্রধানত আখিরাতের আযাব। সুতরাং ‘ ইসলাম শান্তির ধর্ম ’ - কথাটির প্রধান মর্মবাণী আখিরাতের নাজাত ও শান্তি। অর্থাৎ ইসলাম ঐ ধর্ম যা আখিরাতের নাজাত ও শান্তির পথ প্র...
বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে ইসলামের সত্যতা
- Get link
- X
- Other Apps
ইসলাম একটি এমন ধর্ম যা সৃষ্টির শুরু থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সত্যের সাথে সঙ্গতি রাখে। ইসলামিক শিক্ষা ও কোরআনে উল্লিখিত বৈজ্ঞানিক সত্যসমূহ অনেক গবেষক ও বৈজ্ঞানিকদের নজরে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, কোরআনে মহাবিশ্বের বিস্তার, পৃথিবীর গঠন, এবং মানব জীবনের পর্যায় সম্পর্কে বিবৃতিগুলি আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সাথে কিভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা কোরআনের কিছু বৈজ্ঞানিক উপাদান এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার মধ্যে সম্পর্ক আলোচনা করব। এর মাধ্যমে পাঠকরা ইসলামের সত্যতা এবং এর সঙ্গে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়গুলির গভীরে প্রবেশ করতে পারবেন। ** উদাহরণস্বরূপ :** - কোরআনে পৃথিবীর গোলাকার আকৃতি সম্পর্কে উল্লেখ (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৪৭) - মানুষের অঙ্গসংস্থান ও গর্ভস্থ জীবনের উন্নয়ন ( সূরা মুমিনূন ২৩:১৩-১৪ ) এই ধরনের নিবন্ধ মুসলিম এবং ইসলামিক জ্ঞানপিপাসু পাঠকদের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও আকর্ষণীয় হতে পারে।